ইসরায়েলি সেনারা ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মোকাবিলা করতে মরিয়া হয়ে আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, মসজিদের মতো স্থাপনাতেও বোমাবর্ষণ করে যাচ্ছে। হামাস যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অপারেশন আল আকসা স্ট্রম নামের সামরিক অভিযান শুরু করে তখন সংঘাতের সূত্রপাত হয়। এবার গাজায় ইসরায়েলের হামলায় বাধা দিল প্রকৃতি।
জল, স্থল ও আকাশপথে হামলার প্রস্তুতির মধ্যে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় পিছিয়ে গেল ইসরায়েলের স্থল অভিযান। বৈরী আবহাওয়ার কারণেই গ্রহণ করা হয়েছে এ সিদ্ধান্ত- ৩ সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস। প্রচণ্ড বৃষ্টিপাতে তেল আবিবের রাস্তাঘাটে পানি জমে গেছে।গত ৭ অক্টোবর সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস হামলা চালানোর পর গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পরিকল্পনা করে ইসরায়েল। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী অবরুদ্ধ সরু এ উপত্যকার কাছে ৩ লাখেরও বেশি সেনা জড়ো করেছে তারা। তবে সীমান্তের কাছে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে সেনা জড়ো করে রাখলেও এখনো স্থল অভিযান শুরু করেনি দখলদার ইসরায়েল।
নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বর্তমানে গাজার আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে ইসরায়েলি বাহিনী এখনো গাজায় প্রবেশ করছে না। আগামী সপ্তাহ পর্যন্ত পেছাতে পারে স্থলাভিযান। আপাতত নিজ ভূখণ্ড থেকে উপত্যকার দিকে বোমাবর্ষণ এবং বিভিন্ন অভিযান অব্যাহত রাখবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।ইসরায়েলের গণমাধ্যম বলছে, রাজধানী তেলআবিব এবং আশপাশের এলাকায় হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত। রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে ফ্রন্টলাইনেও।
বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই গাজায় স্থলপথে হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে, মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ হওয়ায় উড়ানো যাচ্ছে না ড্রোন। শনাক্ত করা যাচ্ছে না হামাসের গোপন ঘাঁটি; স্থির করা যাচ্ছে না টার্গেট। আকাশপথে যথেষ্ট নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হবে না- তাই পেছানো হচ্ছে অভিযানের সময়। কারণ যদি তারা গাজায় ঢোকে তাহলে যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ড্রোন তাদের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাবে।ইসরায়েলের গণমাধ্যম বলছে, রাজধানী তেলআবিব এবং আশপাশের এলাকায় হচ্ছে প্রবল বৃষ্টিপাত। রাস্তায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে ফ্রন্টলাইনেও।
বলা হয়, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই গাজায় স্থলপথে হামলার পরিকল্পনা ছিল। তবে, মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ হওয়ায় উড়ানো যাচ্ছে না ড্রোন। শনাক্ত করা যাচ্ছে না হামাসের গোপন ঘাঁটি; স্থির করা যাচ্ছে না টার্গেট। আকাশপথে যথেষ্ট নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব হবে না- তাই পেছানো হচ্ছে অভিযানের সময়। কারণ যদি তারা গাজায় ঢোকে তাহলে যুদ্ধবিমানের পাইলট ও ড্রোন তাদের নিরাপত্তা দিতে হিমশিম খাবে।
Post a Comment